1. narayanganjkotha@gmail.com : নারায়ণগঞ্জ কথা : নারায়ণগঞ্জ কথা
  2. info@www.narayanganjkotha.com : নারায়ণগঞ্জ কথা :
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগরখানপুর থেকে সরদারপাড়া এলাকাজুড়ে খাদেম জাহাঙ্গীর ও সানীদের মাদক কারবার, গ্রেফতার দাবি Aviator APK yüklə və onlayn kazinoda oynamağa başla 1 Win Casino indir onlayn kazino oynamaq | Premium Oyunlar və Böyük Qazanclar Optimiza tu cartera con el mejor bot de trading automatizado en España Пинап вход: играть в казино онлайн на реальные деньги в Казахстане বহুমুখী পাটপণ্য মেলা ২০২৬ শুভ উদ্বোধন তিনবার ক্ষমতায় থেকেও সেলিনা হায়াৎ আইভী যা পারেনি আর অল্প সময়ে এসেই হকার উচ্ছেদ করে দেখালেন, এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ ও মিছিল আল আমিন প্রধান এর অফিস থেকে ২২ লক্ষ টাকার চেক ও নগদ ২২ হাজার ২০০ টাকা চুরি করে পালিয়েছেন সিকিউরিটি গার্ড দ্বীন ইসলাম সায়েম থানায় অভিযোগ বন্দর ১৯ নং ওয়ার্ডে পানির হাহাকার সাত দিন ধরে ওয়াসার পানি বন্ধ, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

না’গঞ্জে ১৫ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে মানববন্ধন- থানায় মামলা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ কথা ডট কম : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় প্রায় ১৪ কোটি ৯০ লাখ ৫ হাজার টাকার প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন রাহাবার এগ্রো নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক ইসমাইল হোসেন রতন (৩১)।

রবিবার ৩১ আগস্ট সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রাঙ্গণে ভুক্তভোগীরা এ মানববন্ধন করে।2

বাদীর অভিযোগ, এক সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পদ্ধতিতে বিশ্বাস অর্জন করে বিপুল পরিমাণ মালামাল আত্মসাৎ করেছে এবং পরে তাকে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকিও দিয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী ইসমাইল হোসেন রতন নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার চামটা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে ঢাকার আদাবরে বসবাস করেন এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের হাজীগঞ্জ ওয়াবদারপুল এলাকায় রাহাবার এগ্রো নামের একটি উৎপাদন, মজুদ ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ব্যবসায়িক পণ্য যেমন ভুট্টা, ডাল, সরিষা, চিনি, গম, সয়াবিন ইত্যাদি আমদানি ও সরবরাহ করে আসছিলেন তিনি। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রতারক চক্র তার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকার পণ্য নিয়েছে কিন্তু সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের এক ব্যক্তি অহিদ মামুন ভুট্টা ক্রয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হন। তিনি জানান, মালামাল খুলনার জনৈক জয়দেব মন্ডলের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। প্রাথমিকভাবে মাল পাঠানো হলে আসামিরা বিভিন্ন কৌশলে টাকা লেনদেনে গড়িমসি করে। পরবর্তীতে তারা নিজেদের ‘মেসার্স ভাই ভাই স্টোর এস এম এজ কর্পোরেশন, চুপনগর বাজার, ডুমুরিয়া, খুলনা’ -এর মালিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভিজিটিং কার্ড হোয়াটসঅ্যাপে পাঠায়। বাদী এগুলো সত্যি মনে করে প্রায় ১৫ টন ভুট্টা পাঠান, যার বাজারমূল্য ছিল ৪ লাখ ১১ হাজার টাকা।

প্রথম দফায় আংশিক অর্থপ্রদানের মাধ্যমে আসামিরা বাদীর বিশ্বাস অর্জন করে। ধীরে ধীরে বিভিন্ন সময়ে বিশাল পরিমাণ ডাল, ভুট্টা পাউডার, সরিষা, গমসহ নানা পণ্য সরবরাহ নিতে থাকে। একেকটি চালান ছিল কয়েক কোটি টাকার। প্রথমদিকে আংশিক টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠালেও পরবর্তীতে হিসাব নিকাশ শেষে বাদীর কাছে প্রায় ১৪ কোটি ৯০ লাখ ৫ হাজার ৩০২ টাকা বকেয়া থেকে যায়।

বাদীর অভিযোগ, এভাবে আসামিরা সুপরিকল্পিতভাবে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে পণ্য নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এমনকি শেষদিকে আসামিদের দেয়া চেকও ভুয়া প্রমাণিত হয়। পরে বাদী সত্যিকারের জয়দেব বাবুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তার নামে ব্যবহৃত জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভিজিটিং কার্ড জাল এবং তিনি এসব লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত নন। এতে স্পষ্ট হয়, মহাদেব চন্দ্র সাধু ও তার সহযোগীরা অন্যের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল।

এজাহারে প্রধান আসামি করা হয়েছে মহাদেব চন্দ্র সাধু (৪০), পিতা- সোনাতন চন্দ্র সাধু, মাতা-স্বপ্না রানী সাধু, গ্রাম- মাগুরা গোপিনাথপুর, সাতক্ষীরা। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সোমাতন চন্দ্র সাধু (৬৫), কাকুলি রানী সাধু (৩৬), শুভ সাহা (২০), মন্দিরা রানী সাধু (১৯), জয়দেব মন্ডল (৫৩) সহ আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি। এরা সবাই ভিন্ন ভিন্ন সময় বাদীর কাছ থেকে পণ্য গ্রহণ ও অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

বাদীর দাবি, এই চক্রটি কেবল তার সাথেই প্রতারণা করেনি, দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকেও কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং অনেক মামলাই বর্তমানে বিচারাধীন। বাদী আরো উল্লেখ করেন, এক পর্যায়ে তিনি পাওনা টাকা চাইতে আসামিদের বাড়িতে গেলে সোমাতন চন্দ্র সাধু প্রকাশ্যে তাকে হত্যার হুমকি দেয়।

এজাহারে প্রতারণার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে বাদী বলেন, ২৩ মার্চ থেকে শুরু করে জুন মাস পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে তার প্রতিষ্ঠান থেকে কানাডিয়ান সরিষা, মশুর ডাল, রাশিয়ান মটর, গম, ছোলা, চিনি, সয়াবিনসহ বিপুল পরিমাণ পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে। এর বিপরীতে সামান্য অংক পরিশোধ করলেও মোট ১৪ কোটি ৯০ লাখ টাকার বেশি এখনো বকেয়া রয়েছে। তিনি জানান, প্রতারকরা তার সরলতা ও বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র হিসেবে প্রতারণা করেছে।

এজাহারে বাদী সাক্ষী হিসেবে তার প্রতিষ্ঠানের একাউন্টস ম্যানেজার মোঃ সামছুল কবির, অফিস কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন, সহকর্মী মোঃ মাসুদ ও প্রাথমিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া অহিদ মামুনের নাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়া ব্যাংক লেনদেনের রিসিট ও ভুয়া ভিজিটিং কার্ডসহ বিভিন্ন প্রমাণ সংযুক্ত করেছেন।

ঘটনার পর বাদী ইসমাইল হোসেন রতন ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৩১, তাং ২১/০৮/২০২৫, ধারা- ৪০৬/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৫০৬ পেনাল কোডে এজাহারটি রুজু করা হয়। বাদীর দাবি, এই সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের কারণে তিনি কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন এবং আইনের মাধ্যমে তার পাওনা আদায়ের পাশাপাশি আসামিদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, রাহাবার এগ্রো নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক ইসমাইল হোসেন রতন, স্টাফ আবুল বাশার, সেলস অফিসার কামাল হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার তরিকুল ইসলাম, ট্রান্সপোর্ট অফিসার আল আমিন, স্টাফ রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট